Description
নিরাপত্তা খাতের রাজনীতিকরণ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সামরিকীকরণ, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের সুযোগ করে দেওয়া পুরোনো ও অপ্রাসঙ্গিক আইন, দায়মুক্তির প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতি, ভুক্তভোগীদের ন্যায্য প্রতিকারের অভাব এবং নাগরিক ও রাজনৈতিক ভিন্নমত দমনের লক্ষ্যে প্রণীত আইনসমূহ- এই ধারাবাহিক মানবাধিকার লঙ্ঘনকে সম্ভব এবং তীব্রতর করেছে।
যদি এই সক্ষমতাদানকারী কাঠামোগুলো উপড়ে ফেলা না হয় এবং মৌলিক সংস্কার বাস্তবায়ন না হয়, তবে রাজনৈতিক আদর্শ বা গঠন যা-ই হোক না কেন- ভবিষ্যতের যেকোনো স্বৈরাচারী মনোভাবাপন্ন সরকার এই কাঠামোগুলো পুনরায় সক্রিয় করে নাগরিক ও রাজনৈতিক ভিন্নমত এবং নতুন যেকোনো আন্দোলন-সংগ্রাম দমন করার চেষ্টা করবে।













Reviews
There are no reviews yet.