Description
আরবের শাসকেরা যেন হতবাক হয়ে গিয়েছিল। শহরের রাস্তায় রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ছিল মুক্তি আর স্বাধীনতার মিছিল। মনে হচ্ছিল জনগণের ইচ্ছার সামনে কিছুই টিকে থাকতে পারবে না। কেউ কেউ এই ঘটনাকে তুলনা করছিলেন ১৯৮৯ সালে বার্লিন প্রাচীর ভেঙে পড়া এবং পরবর্তীতে পূর্ব ইউরোপের কমিউনিস্ট শাসনগুলো একে একে ধসে পড়ার সাথে। ধারণা ছিল, পূর্ব ইউরোপের মতোই আরব বিশ্বের কঠোর স্বৈরাচারী শাসনগুলোও একে একে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে। বহু আকাঙ্ক্ষিত হুররিয়াত বা স্বাধীনতা ছড়িয়ে পড়বে মরুভূমির বুনো ফুলের মতো, যেমনটি তখন দামেস্কের আশপাশে শীতের শেষে ফুটতে শুরু করেছিল। এ যেন এক আরব বসন্ত।অনেকেই ধরে নিয়েছিল, এবার পালা আসাদ পরিবারের। কিন্তু পর্দার অন্তরালে থাকা আসাদ পরিবারের শক্তিমান রক্ষাকর্তারা বিষয়টিকে ভিন্নভাবে দেখেছিলেন। বাশারের হাতে আসা একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে পরিষ্কার বলা ছিল- ‘সিরিয়ায় এরকম কিছু ঘটবে না… সবকিছুই নিয়ন্ত্রণে আছে… সিরিয়া এই অস্থিরতা থেকে মুক্ত।’কিন্তু কী হয়েছিল শেষ পর্যন্ত? আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম দীর্ঘস্থায়ী স্বৈরাচারের উত্থান, ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্য নিষ্ঠুর দমন পীড়ন এবং একটি সমৃদ্ধ দেশকে ধ্বংসের অতল গহ্বরে নিপতিত করার জলজ্যান্ত কাহিনি।













Reviews
There are no reviews yet.